ডেমো ক্লাস

আরো পড়ুনঃ আমার নাম জানিনা

আতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমানআতিকুর রহমান

পেজ সূচিপত্রঃ ডেমো ক্লাস 

আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি যে

আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি যে কিভাবে করে অন্য ওয়েবসাইটের মধ্যে নিজের ওয়েবসাইটকে ব্যাক লিঙ্ক করা অথবা নিজের ওয়েবসাইটের মধ্যে অন্যের অরিজিনাল এবং জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুলো ব্যাকলিংক হিসেবে ব্যবহার করা। যেমন গেস্ট পোস্ট করা এটা মূলত অন্য একটি আর্টিকেল লিখে সেটাকে আরেকটি আর্টিকেলে লিংক হিসেবে ব্যবহার করা। তারপরে সাইটকে লিস্টিং ওয়েবসাইটে ভালোভাবে যোগ করাকে আমরা অনলাইন জগতে বলি ডিরেক্টরি সাবমিশান। এটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। তবে আমার কাছে যে পদ্ধতি সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় সেটা হল আর্টিকেলের কোন অংশে আলোচ্য বিষয় সম্পর্কিত অন্য একটি আর্টিকেল এর লিংক সেখানে যোগ করা।

আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি যে

এতে যখন কোন পাঠক সে আর্টিকেল পড়বে এবং লিংকটা দেখতে পারবে তখন সে পরবর্তীতে ওই লিংকেই প্রবেশ করবে। এভাবে করে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক নিয়ে আসা যায়। এছাড়াও অন্যান্য সকল সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও ব্যাকলিংক করা যায়। যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদির মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম গুলোতে আপনার কনটেন্ট ছড়িয়ে দিলে সেটা ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করে। কমেন্ট করাও একটি ছোট ব্যাকলিংক তৈরি করার মত। কোন একটি প্রসঙ্গীত তথ্যের উপর নির্ভর করে কমেন্ট করলে সেটা ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করে। এভাবে করে আপনি নিজে নিজে ব্যাক লিংক তৈরি করতে পারবেন যদি কৌশল গুলোকে ভালোমতো বুঝতে ও ধারণ করতে পারেন।

আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি যে

আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি যে কিভাবে করে অন্য ওয়েবসাইটের মধ্যে নিজের ওয়েবসাইটকে ব্যাক লিঙ্ক করা অথবা নিজের ওয়েবসাইটের মধ্যে অন্যের অরিজিনাল এবং জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুলো ব্যাকলিংক হিসেবে ব্যবহার করা। যেমন গেস্ট পোস্ট করা এটা মূলত অন্য একটি আর্টিকেল লিখে সেটাকে আরেকটি আর্টিকেলে লিংক হিসেবে ব্যবহার করা। তারপরে সাইটকে লিস্টিং ওয়েবসাইটে ভালোভাবে যোগ করাকে আমরা অনলাইন জগতে বলি ডিরেক্টরি সাবমিশান। এটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। তবে আমার কাছে যে পদ্ধতি সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় সেটা হল আর্টিকেলের কোন অংশে আলোচ্য বিষয় সম্পর্কিত অন্য একটি আর্টিকেল এর লিংক সেখানে যোগ করা।

আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি যে

এতে যখন কোন পাঠক সে আর্টিকেল পড়বে এবং লিংকটা দেখতে পারবে তখন সে পরবর্তীতে ওই লিংকেই প্রবেশ করবে। এভাবে করে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক নিয়ে আসা যায়। এছাড়াও অন্যান্য সকল সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও ব্যাকলিংক করা যায়। যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদির মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম গুলোতে আপনার কনটেন্ট ছড়িয়ে দিলে সেটা ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করে। কমেন্ট করাও একটি ছোট ব্যাকলিংক তৈরি করার মত। কোন একটি প্রসঙ্গীত তথ্যের উপর নির্ভর করে কমেন্ট করলে সেটা ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করে। এভাবে করে আপনি নিজে নিজে ব্যাক লিংক তৈরি করতে পারবেন যদি কৌশল গুলোকে ভালোমতো বুঝতে ও ধারণ করতে পারেন।

আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি যে

আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি যে কিভাবে করে অন্য ওয়েবসাইটের মধ্যে নিজের ওয়েবসাইটকে ব্যাক লিঙ্ক করা অথবা নিজের ওয়েবসাইটের মধ্যে অন্যের অরিজিনাল এবং জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুলো ব্যাকলিংক হিসেবে ব্যবহার করা। যেমন গেস্ট পোস্ট করা এটা মূলত অন্য একটি আর্টিকেল লিখে সেটাকে আরেকটি আর্টিকেলে লিংক হিসেবে ব্যবহার করা। তারপরে সাইটকে লিস্টিং ওয়েবসাইটে ভালোভাবে যোগ করাকে আমরা অনলাইন জগতে বলি ডিরেক্টরি সাবমিশান। এটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। তবে আমার কাছে যে পদ্ধতি সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় সেটা হল আর্টিকেলের কোন অংশে আলোচ্য বিষয় সম্পর্কিত অন্য একটি আর্টিকেল এর লিংক সেখানে যোগ করা।

এতে যখন কোন পাঠক সে আর্টিকেল পড়বে এবং লিংকটা দেখতে পারবে তখন সে পরবর্তীতে ওই লিংকেই প্রবেশ করবে। এভাবে করে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক নিয়ে আসা যায়। এছাড়াও অন্যান্য সকল সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও ব্যাকলিংক করা যায়। যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদির মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম গুলোতে আপনার কনটেন্ট ছড়িয়ে দিলে সেটা ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করে। কমেন্ট করাও একটি ছোট ব্যাকলিংক তৈরি করার মত। কোন একটি প্রসঙ্গীত তথ্যের উপর নির্ভর করে কমেন্ট করলে সেটা ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করে। এভাবে করে আপনি নিজে নিজে ব্যাক লিংক তৈরি করতে পারবেন যদি কৌশল গুলোকে ভালোমতো বুঝতে ও ধারণ করতে পারেন।
আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি যে কিভাবে করে অন্য ওয়েবসাইটের মধ্যে নিজের ওয়েবসাইটকে ব্যাক লিঙ্ক করা অথবা নিজের ওয়েবসাইটের মধ্যে অন্যের অরিজিনাল এবং জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুলো ব্যাকলিংক হিসেবে ব্যবহার করা। যেমন গেস্ট পোস্ট করা এটা মূলত অন্য একটি আর্টিকেল লিখে সেটাকে আরেকটি আর্টিকেলে লিংক হিসেবে ব্যবহার করা। তারপরে সাইটকে লিস্টিং ওয়েবসাইটে ভালোভাবে যোগ করাকে আমরা অনলাইন জগতে বলি ডিরেক্টরি সাবমিশান। এটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। তবে আমার কাছে যে পদ্ধতি সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় সেটা হল আর্টিকেলের কোন অংশে আলোচ্য বিষয় সম্পর্কিত অন্য একটি আর্টিকেল এর লিংক সেখানে যোগ করা।

এতে যখন কোন পাঠক সে আর্টিকেল পড়বে এবং লিংকটা দেখতে পারবে তখন সে পরবর্তীতে ওই লিংকেই প্রবেশ করবে। এভাবে করে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক নিয়ে আসা যায়। এছাড়াও অন্যান্য সকল সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও ব্যাকলিংক করা যায়। যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদির মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম গুলোতে আপনার কনটেন্ট ছড়িয়ে দিলে সেটা ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করে। কমেন্ট করাও একটি ছোট ব্যাকলিংক তৈরি করার মত। কোন একটি প্রসঙ্গীত তথ্যের উপর নির্ভর করে কমেন্ট করলে সেটা ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করে। এভাবে করে আপনি নিজে নিজে ব্যাক লিংক তৈরি করতে পারবেন যদি কৌশল গুলোকে ভালোমতো বুঝতে ও ধারণ করতে পারেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ডিজিটাল আবিদা নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url